জনপ্রিয় উপন্যাস আঁধার রাতের বন্দিনী || ১-৫ খণ্ড || মূল: মাওলানা আমীরুল ইসলাম (ফা. আ.)
পিডিএফ ডাউনলোড [PDF Download]

♦ আঁধার রাতের বন্দিনী ♦
লেখকের কথা
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম।
সমস্ত প্রশংসা মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের জন্য, যিনি আমাদেরকে তার সত্য ধর্ম ইসলামের সুশীতল ছায়াতলে আশ্রয় দান করেছেন। তিনি একমাত্র মাবুদ। তিনি ব্যতীত অন্য কেউ উপাসনার উপযুক্ত নন। তিনি আমাদেরকে দান করেছেন হেদায়াতের জন্য পবিত্র কুরআন।
রহমত ও পরিপূর্ণ শান্তি বর্ষিত হোক হযরত মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর উপর, যিনি জীবনের ২৩টি বছর দুনিয়াতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে কাফির, মুশরিক আর বেঈমানদের নির্যাতন-নিপীড়ন বরদাশত করে আরবের বর্বর জাতিকে আল্লাহর দ্বীন শিখিয়েছেন। শিখিয়েছেন সভ্যতা, মানবতা, উদারতা ও সহনশীলতা।
যিনি ছিলেন সর্বকালের, সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব ও সর্বশ্রেষ্ঠ সমরবিদ। আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দ্বীনকে বিজয়ী করার জন্য তাঁকে তাঁর প্রাণপ্রিয় সাহাবায়ে কেরামসহ সশস্ত্র সংগ্রামে অবতীর্ণ হতে হয়েছে। যিনি তাঁর জীবনে ২৭টি যুদ্ধে ফিল্ডমার্শাল (কমান্ডার-ইন-চীফ) হিসেবে যুদ্ধ পরিচালনা করেছেন।
অফুরন্ত শান্তি বর্ষিত হোক তার পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন ও সাহাবাগণের উপর এবং সমস্ত উম্মতের উপর।
পৃথিবী নামক গ্রহের উত্তর সীমান্তে রাশিয়া নামক দেশে (সোভিয়েত ইউনিয়ন) লেনিন নামক এক ফেরাউনের আবির্ভাব ঘটে। ১৯১৭ সালের নভেম্বর মাসে লেনিন ‘কেউ খাবে কেউ খাবে না; তা হবে না, তা হবে না’ এই মুখরোচক স্লোগানটি নিয়ে রাজনীতিতে আত্মপ্রকাশ করেন। তার যাদুময় স্লোগানের গভীর রাগিনীতে গরীব শ্রেণীর মানুষেরা সুর মিলিয়ে গান ধরে।
এবার তার কণ্ঠে ২য় স্লোগান ধ্বনিত হল- ‘দুনিয়ার মজদুর এক হও’। এ স্লোগানের মূর্ছনায় শ্রমিকগণ নাচতে আরম্ভ করল। ওরা ভেবেছিল, ধনী আর গরীব সবাইকে করে দেবে এক সমান। কেউ আর গরীব থাকবে না, ফলে সমাজে হানাহানির অবসান ঘটবে। ফিরে আসবে শান্তির মহাপ্লাবন।
লেনিন তার কমিউনিজম মতাদর্শের প্রসার করতে গিয়ে আমাদের মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর দেয়া রাজনীতি, সমাজনীতি ও অর্থনীতি বাদ দিয়ে সমাজতন্ত্র নামক মতবাদ প্রবর্তন করে। পবিত্র কুরআন ও সুন্নাহর পরিপন্থী শাসন ব্যবস্থা চালু করে।
যাঁরা একত্ববাদে বিশ্বাসী, দ্বীনদার, পরহেজগার, ইসলামের অনুরাগী, তারা কমিউনিজমকে অর্থাৎ সমাজতন্ত্রকে মেনে নিতে পারেননি। কারণ, ইসলাম আর কমিউনিজমের মধ্যে রয়েছে আপোসহীন সংঘাত। তারা এ কুফরী মতবাদ মানতে পারেননি বিধায় তাদের উপর নেমে আসে জুলুম-নির্যাতন, নিপীড়ন ও উৎপীড়নের স্টীমরোলার।
এ অবর্ণনীয় নির্যাতন থেকে দেশ, জাতি ও মুসলমানদেরকে মুক্ত করতে, দ্বীনকে দুনিয়াতে গালিব করতে যাঁরা সশস্ত্র জিহাদে আত্মনিয়োগ করেছিলেন, তাদের মধ্যে হযরত আনোয়ার পাশা শহীদ (রহঃ)-এর নাম সর্ব শীর্ষে। এছাড়া আরো যাঁরা জিহাদী পরচম উড্ডীন করেছিলেন, তাদের মধ্যে বীরাঙ্গনা ছায়েমা মালাকানী ও খোবায়েব জামবুলীর নাম স্মরণীয়। তাদের বীরত্ব-গাঁথা আজ ইতিহাসের পাতা থেকে খসে পড়েছে।
বীরাঙ্গনা ছায়েমা মালাকানী ও খোবায়েব জামবুলীর বীরত্বের কাহিনী ও খোদায়ী মদদ নিয়েই ‘আঁধার রাতের বন্দিনী’ নামক এই উপন্যাসের সৃষ্টি। উপন্যাসটি শুধু উপন্যাস-ই নয়, এর মধ্যে রয়েছে পবিত্র কুরআন-হাদীসের আলোকে জিহাদের জরুরী মাসআলা-মাসায়েল, কলাকৌশলেরও বর্ণনা।
বইটি পাঠ করে যদি মুসলিম সমাজে জিহাদের অনুপ্রেরণা সঞ্চার হয়, তবে আমাদের প্রচেষ্টাকে স্বার্থক বলে মনে করব। আমরা এ বইখানা ত্রুটিমুক্ত রাখার চেষ্টা করেছি। তারপরও যদি কোন স্থানে কোন ভুল পরিলক্ষিত হয়, তবে অবগত করলে চিরদিন কৃতজ্ঞতাপার্শ্বে আবদ্ধ থাকব।
এই বইটি প্রকাশ করতে যারা আমাকে সহযোগিতা দান করেছেন, আল্লাহ তাদেরকে প্রতিদানে ধন্য করুক।
হে আল্লাহ! এই গ্রন্থটিকে কবুল কর এবং একে নাজাতের উছিলা বানাও। আমীন।।
বিনীত
আমীরুল ইসলাম
(…বিস্তারিত জানতে পড়ুন)
বই: আঁধার রাতের বন্দিনী
লেখক: মাওলানা আমীরুল ইসলাম (ফা. আ.)
# লেখকের রচিত গ্রন্থাবলীর (PDF) কালেকশন সমগ্র:
[নিচের তালিকাবদ্ধ বইয়ের নাম হতে আপনার প্রয়োজনীয় পিডিএফ ফাইলটি ডাউনলোড করতে যেকোন একটি সার্ভারের ডাউনলোড লিঙ্ক বেছে নিন।]
১. আঁধার রাতের বন্দিনী – ১ম খণ্ড — মাওলানা আমীরুল ইসলাম
Download: Drive Link || Mega Link
২. আঁধার রাতের বন্দিনী – ২য় খণ্ড — মাওলানা আমীরুল ইসলাম
Download: Drive Link || Mega Link
৩. আঁধার রাতের বন্দিনী – ৩য় খণ্ড — মাওলানা আমীরুল ইসলাম
Download: Drive Link || Mega Link
৪. আঁধার রাতের বন্দিনী – ৪র্থ খণ্ড — মাওলানা আমীরুল ইসলাম
Download: Drive Link || Mega Link
৪. আঁধার রাতের বন্দিনী – ৫ম খণ্ড — মাওলানা আমীরুল ইসলাম
Download: Drive Link || Mega Link
[ বি: দ্র: ] বই পড়ুন, বই কিনুন, প্রিয়জনকে বই উপহার দিন। আমাদের সাইটের কোন বই ভালো লাগলে অনুগ্রহপূর্বক মূল বইয়ের হার্ডকপি লাইব্রেরী হতে সংগ্রহ করুন।
মনে রাখবেন, আপনার ক্রয়কৃত বই প্রেরণা যোগায় লেখক ও প্রকাশককে নতুন বই প্রকাশ করতে। লেখক, প্রকাশক ও পাঠক সমাজকে সুসমৃদ্ধ করার প্রয়াসে মূলবই ক্রয়ের কোনো বিকল্প নেই।
অনলাইনে বই ক্রয়ের জনপ্রিয় কয়েকটি প্ল্যাটফর্ম –



